ছানি পড়া চোখের লেন্স পরিবর্তন

Updated on: Thursday, August 13, 2026

ছানি পড়া চোখের লেন্স পরিবর্তন (Cataract Surgery with Intraocular Lens Implantation) একটি অত্যন্ত সাধারণ ও নিরাপদ অস্ত্রোপচার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের প্রাকৃতিক লেন্স ঘোলা হয়ে যায়, যাকে আমরা ছানি বলি। এই ঘোলা লেন্স সরিয়ে একটি কৃত্রিম লেন্স বসালে দৃষ্টি ফিরে আসে। বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ এই অপারেশন করিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পান। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ছানি কী এবং কেন চোখের লেন্স পরিবর্তন প্রয়োজন?

ছানি (Cataract) মূলত চোখের প্রাকৃতিক লেন্সের একটি পরিবর্তন। যখন এই লেন্স ঘোলা বা অস্বচ্ছ হয়ে যায়, তখন আলো চোখের ভিতরে ঠিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। ছানি হওয়ার প্রধান কারণ বয়সজনিত পরিবর্তন, তবে ডায়াবেটিস, চোখে আঘাত, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার, বা জন্মগত কারণেও ছানি হতে পারে।

প্রাকৃতিক লেন্স ফের স্বচ্ছ করার কোনো ওষুধ বা ড্রপ নেই। তাই একমাত্র চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঘোলা লেন্স অপসারণ করে কৃত্রিম লেন্স (IOL) বসানো। এই কৃত্রিম লেন্স স্থায়ীভাবে চোখে থেকে যায় এবং দৃষ্টি ফিরিয়ে আনে।

ছানি অপারেশন কখন করতে হবে?

ছানি শনাক্ত হওয়ার পর সবার একই সময়ে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। ছানি যদি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং তা দৈনন্দিন কাজে যেমন পড়া, টিভি দেখা, রাতে গাড়ি চালানো, বা রান্নার কাজে অসুবিধা না করে, তবে কিছুদিন অপেক্ষা করা যায়। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:

  • হঠাৎ করে দৃষ্টি অনেক কমে যাওয়া
  • চোখে তীব্র ব্যথা বা চাপ অনুভব করা
  • দ্বৈত দৃষ্টি (একটি বস্তুকে দুটি দেখা)
  • আলোর চারপাশে রঙিন বলয় দেখা (গ্লুকোমার লক্ষণ হতে পারে)
  • চোখে লালচে ভাব ও অস্বস্তি

অপারেশনের সঠিক সময় নির্ধারণের জন্য একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা (যেমন স্লিট ল্যাম্প, ফান্ডাস) করা প্রয়োজন। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া এড়িয়ে চলুন।

চোখের লেন্স পরিবর্তনের অপারেশন পদ্ধতি

ছানি অপারেশন সাধারণত দুটি পদ্ধতিতে করা হয়:

১. ফ্যাকোইমালসিফিকেশন (Phacoemulsification)

এটি একটি আধুনিক ও জনপ্রিয় পদ্ধতি। এতে চোখের কর্নিয়ায় খুব ছোট ছিদ্র (২-৩ মিমি) করে একটি আল্ট্রাসাউন্ড যন্ত্র (প্রোব) ঢুকিয়ে ঘোলা লেন্সকে ফেটিয়ে (ইমালসিফাই) বের করে আনা হয়। তারপর সেখান দিয়েই কৃত্রিম লেন্স ভাঁজ করে বসানো হয়। অপারেশনটি স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়ায় (চোখে ড্রপ বা ইনজেকশন) হয় এবং সময় লাগে প্রায় ১৫-২০ মিনিট। এই পদ্ধতিতে রক্তপাত কম হয়, সেলাই লাগে না, এবং পুনরুদ্ধার খুব দ্রুত হয়। প্রয়োজনে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন

২. ম্যানুয়াল এসআইসিএস (SICS – Small Incision Cataract Surgery)

এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি, যা বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল ও গ্রামীণ ক্যাম্পে প্রচলিত। এতে চোখের উপরের দিকে কিছুটা বড় ছিদ্র (৫-৭ মিমি) করে পুরো লেন্স একটি টুকরো করে বের করা হয় এবং কৃত্রিম লেন্স বসানো হয়। অপারেশনের সময় ২০-৩০ মিনিট। এই পদ্ধতিতে সেলাই দিতে হয়, তাই আরোগ্য হতে কিছুটা বেশি সময় লাগে। তবে খরচ তুলনামূলক কম।

উভয় পদ্ধতিতেই অপারেশন শেষে রোগী একই দিনে বাড়ি যেতে পারেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। অভিজ্ঞ ফ্যাকো সার্জন ডা. মো. সালাহউদ্দিন রহমতুল্লাহ এই পদ্ধতিতে দক্ষ।

কৃত্রিম লেন্সের ধরন ও নির্বাচন

কৃত্রিম লেন্স শুধুমাত্র একটি নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের আছে। রোগীর চোখের গঠন, জীবনযাত্রা, এবং আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী লেন্স নির্বাচন করা হয়। নিচে একটি তুলনামূলক টেবিল দেওয়া হলো:

বাংলাদেশে ছানি অপারেশনে ব্যবহৃত কৃত্রিম লেন্সের ধরন
লেন্সের ধরন বৈশিষ্ট্য উপযুক্ত রোগী আনুমানিক খরচ (BDT) – শুধু লেন্স
মনোফোকাল শুধু দূর বা কাছের জিনিস পরিষ্কার দেখা যায়; চশমার প্রয়োজন হতে পারে। যারা অপারেশনের পর চশমা ব্যবহার করতে রাজি; কম খরচে ভালো ফলাফল। ২,০০০-১০,০০০
মাল্টিফোকাল দূর ও কাছের উভয় দৃষ্টি ভালো থাকে; চশমা ব্যবহারের প্রয়োজন কম। যারা চশমা ছাড়াই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চান। ১৫,০০০-৪০,০০০
টোরিক অ্যাস্টিগমেটিজম (চোখের আঁকাবাঁকা পৃষ্ঠ) সংশোধন করে। যাদের ক্যাটার্যাক্টের সঙ্গে অ্যাস্টিগমেটিজম আছে। ২০,০০০-৫০,০০০

লেন্স নির্বাচন একান্তই রোগী ও চিকিৎসকের যৌথ সিদ্ধান্ত। নিজে থেকে বা বাজারের কথা শুনে লেন্স ঠিক করা ঠিক নয়। শুধুমাত্র একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞই সঠিক লেন্স বাছাই করতে পারবেন।

অপারেশনের প্রস্তুতি ও পুনরুদ্ধার

অপারেশনের আগে: অপারেশনের আগে চিকিৎসক চোখের বিস্তারিত পরীক্ষা (যেমন বায়োমেট্রি) ও কখনও কখনও রক্ত পরীক্ষা করে নেন। রোগীকে জানাতে হবে কোনো ওষুধ (বিশেষ করে রক্ত পাতলা করার ওষুধ) নিচ্ছেন কি না। অপারেশনের আগের রাতে চোখ ভালো করে পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রয়োজনে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা

অপারেশনের পর: চিকিৎসকের দেওয়া ড্রপ (প্রদাহরোধী ও অ্যান্টিবায়োটিক) নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে। চোখে পানি লাগানো, ভারী জিনিস তোলা, বা হঠাৎ ঝাঁকুনি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রথম কয়েকদিন চোখে ঝাপসা ভাব থাকা স্বাভাবিক। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে ২-৪ সপ্তাহ সময় লাগে। এ সময়ে রোদ এড়াতে সানগ্লাস ব্যবহার করা ভালো।

অপারেশনের পরবর্তী জটিলতা এড়াতে নিয়মিত ফলো-আপ করতে ভুলবেন না। প্রয়োজনে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন।

বাংলাদেশে ছানি অপারেশনের খরচ

ছানি অপারেশনের খরচ নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর: হাসপাতালের ধরন (সরকারি/বেসরকারি), সার্জনের ফি, লেন্সের ধরন, অপারেশন পদ্ধতি, এবং জটিলতা থাকলে আইসিইউ-এর প্রয়োজন। নিচে একটি আনুমানিক ধারণা দেওয়া হলো:

বাংলাদেশে ছানি অপারেশনের আনুমানিক খরচ (BDT)
খরচের ধরণ আনুমানিক মূল্য পরিসীমা (৳) মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল (SICS পদ্ধতি) ৫,০০০-১৫,০০০ লেন্স সাধারণত ফ্রি বা নামমাত্র মূল্যে পাওয়া যায়।
বেসরকারি হাসপাতাল (ফ্যাকো পদ্ধতি + মনোফোকাল লেন্স) ২০,০০০-৩৫,০০০ সাধারণ রোগীদের জন্য এই খরচ সাশ্রয়ী।
বেসরকারি হাসপাতাল (ফ্যাকো + মাল্টিফোকাল/টোরিক লেন্স) ৪০,০০০-১,০০,০০০ উচ্চ মানের লেন্স ও জটিল কেসের জন্য।
জটিল ক্ষেত্রে (ICU, বিশেষজ্ঞ ফি, লেন্স) ১,০০,০০০-২,০০,০০০ যেমন ডায়াবেটিক বা পূর্বের অপারেশন জটিলতা থাকলে।

সতর্কতা: খরচ পরিবর্তনশীল; হাসপাতালে যাচাই করে নিন। কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের বর্তমান দাম এখানে উল্লেখ করা হলো না। খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা দেখে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

কখন জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

ছানি অপারেশনের আগে বা পরে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। এগুলো কোনো জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে:

  • হঠাৎ করে চোখে তীব্র ব্যথা হওয়া
  • চোখ থেকে অস্বাভাবিক স্রাব বা রক্ত পড়া
  • আলো বা তারার ঝলকানি দেখা (ফ্ল্যাশ বা ফ্লোটার)
  • দৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ অন্ধকার অংশ (পর্দা) দেখা
  • চোখ লাল হয়ে ফোলা
  • অপারেশনের পর বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরা

এই লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দিলে অপেক্ষা না করে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন। Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর ক্লিনিক ওয়েবসাইট থেকে আরও তথ্য পেতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ছানি অপারেশনের সময় কি ব্যথা লাগে?

ছানি অপারেশনের সময় সাধারণত চোখের ড্রপ দিয়ে স্থানীয় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়, তাই রোগী পুরোপুরি সজাগ থাকলেও ব্যথা অনুভব করেন না। অপারেশনের সময় চোখে হালকা চাপ বা টান অনুভব হতে পারে, তবে সেটি ব্যথার মতো নয়। অপারেশনের পর কয়েক ঘণ্টা হালকা জ্বালা বা অস্বস্তি থাকতে পারে, যা সাধারণত ওষুধেই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কৃত্রিম লেন্স কি সারা জীবন টিকে?

কৃত্রিম লেন্স (IOL) সাধারণত সারা জীবন স্থায়ী হয় এবং এটি নষ্ট হয় না বা বদলানোর প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের মাস বা বছর পরে লেন্সের পেছনের ক্যাপসুল (থলি) আস্তে আস্তে ঘোলা হয়ে যেতে পারে, যাকে পোস্টেরিয়র ক্যাপসুলার ওপাসিফিকেশন বলে। এটি কোনো লেন্সের সমস্যা নয়, বরং টিস্যুর পরিবর্তন; লেজার দিয়ে খুব সহজেই পরিষ্কার করে দেওয়া যায়।

দুই চোখের ছানি কি একসঙ্গে অপারেশন করা যায়?

বেশিরভাগ চক্ষু বিশেষজ্ঞ দুই চোখের অপারেশন একই দিনে না করার পরামর্শ দেন। কারণ একসঙ্গে করলে সংক্রমণ বা জটিলতা দুই চোখকেই প্রভাবিত করার ঝুঁকি থাকে। সাধারণত একটি চোখের অপারেশন করে সুস্থ হতে দেওয়া হয় (কয়েক সপ্তাহ থেকে এক মাস), তারপর দ্বিতীয় চোখের অপারেশন করা হয়। কিছু দেশে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একসঙ্গে অপারেশন করা হলেও বাংলাদেশে প্রচলিত পদ্ধতি হলো পর্যায়ক্রমে করা।

অপারেশনের পর কত দ্রুত ভালো দেখা যায়?

অপারেশনের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা দৃষ্টি ঝাপসা থাকতে পারে। পরের দিনই বেশিরভাগ রোগী উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো দেখতে পান। তবে পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে এবং চোখ সম্পূর্ণ সেরে উঠতে সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ লাগে। এই সময় নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ড্রপ ব্যবহার এবং ভারী কাজ এড়িয়ে চলা জরুরি। দৃষ্টি চূড়ান্ত আকার নিতে কারও কারও ২ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

ছানি কি ওষুধ বা ড্রপ দিয়ে সারে?

বর্তমানে কোনো প্রমাণিত ওষুধ বা চোখের ড্রপ নেই যা ছানি সারাতে বা প্রতিরোধ করতে পারে। কিছু প্রাথমিক গবেষণায় কিছু উপাদানের সম্ভাবনা দেখা গেলেও সেগুলো এখনও চিকিৎসা হিসেবে অনুমোদিত নয়। অপারেশনই একমাত্র কার্যকরী চিকিৎসা। অপারেশন না করেও কিছুদিন চলা যায়, তবে দৃষ্টি ক্রমশ কমতে থাকে এবং দৈনন্দিন কাজে সমস্যা হয়। অপারেশন পিছিয়ে দিলে চোখের কোনো স্থায়ী ক্ষতি হয় না, কিন্তু জীবনের মান কমে যায়।

সারকথা

ছানি পড়া চোখের লেন্স পরিবর্তন একটি অত্যন্ত সফল ও নিরাপদ অস্ত্রোপচার, যা দৈনন্দিন জীবনে দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। তবে এটি করতে হবে সঠিক সময়ে, সঠিক লেন্স বাছাই করে এবং একজন অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম। দৃষ্টি নিয়ে কোনো জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করিয়ে চলুন।

More Health Tips & Guides From Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen

Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.

Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন

আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

চোখ ট্যারা হওয়া বা স্কুইন্ট আই সার্জারি

চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসা

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…

Read More
WhatsApp Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen