খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার

Updated on: Saturday, August 15, 2026

শিশুর চোখ বাঁকা দেখলে অভিভাবকদের উদ্বেগ স্বাভাবিক। তবে স্ট্রাবিসমাস শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা নয়—এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো সঠিক চিকিৎসক নির্বাচন এবং চিকিৎসা শুরু করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ফল পাওয়া যায়। এই নিবন্ধে খুলনায় শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার বিকল্পগুলো কী, এবং আনুমানিক খরচ কেমন হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

স্ট্রাবিসমাস কী এবং কেন তাড়াতাড়ি চিকিৎসা জরুরি?

স্ট্রাবিসমাস, যাকে সাধারণ ভাষায় বাঁকা চোখ বা টেরা চোখ বলা হয়, এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে দুটি চোখ একই বিন্দুতে না তাকিয়ে বিভিন্ন দিকে তাকিয়ে থাকে। এটি একটি চোখ ভেতরে (এসোট্রোপিয়া), বাইরে (এক্সোট্রোপিয়া), উপরে (হাইপারট্রোপিয়া) বা নিচে (হাইপোট্রোপিয়া) বাঁকা হতে পারে।

শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা প্রায়ই জিনগত কারণে, চোখের পেশির ভারসাম্যহীনতা, অথবা প্রতিসরণ ত্রুটির (যেমন দূরদৃষ্টি) কারণে হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সময়মতো চিকিৎসা না করলে মস্তিষ্ক বাঁকা চোখের ছবি উপেক্ষা করতে শুরু করে, যার ফলে অ্যাম্বলিওপিয়া (লেজি আই বা শিক্ষিত চোখ) হয়। এই অবস্থায় চোখের দৃষ্টি স্থায়ীভাবে সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। প্রথম ৬-৭ বছর মস্তিষ্কের দৃষ্টি বিকাশের সময় হওয়ায় এই বয়সে চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর, তবে যেকোনো বয়সে চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব।

খুলনায় একজন ভালো শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

খুলনায় একজন নির্ভরযোগ্য শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসক অবশ্যই MBBS ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং চক্ষুবিজ্ঞানে FCPS, MS অথবা MD ডিগ্রি থাকতে হবে। স্ট্রাবিসমাস হ্যান্ডেল করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ বা ফেলোশিপ থাকা বাড়তি যোগ্যতার পরিচয়। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)-এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর যাচাই করে নিন।
  • শিশু রোগী দেখার অভিজ্ঞতা: একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ সাধারণ চোখের সমস্যা দেখলেও শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। যারা নিয়মিত শিশু রোগী দেখেন, তাদের কাছে শিশুরা সহজে মানিয়ে নিতে পারে।
  • হাসপাতালের পরিবেশ: যেখানে চিকিৎসক দেখেন, সেই প্রতিষ্ঠানটি শিশুবান্ধব কিনা, যেমন খেলার জায়গা, বাচ্চাদের জন্য অপেক্ষার পরিবেশ, এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে শিশু অ্যানেসথেশিয়ার ব্যবস্থা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা ভালো।
  • রোগীর অভিজ্ঞতা: অনলাইনে রিভিউ পড়া উপকারী হতে পারে, তবে সম্পূর্ণভাবে এর ওপর নির্ভর না করাই ভালো। পরিবার বা পরিচিতদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়াও সহায়ক।

খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে শিশু চক্ষু বিভাগ রয়েছে। তবে ‘সেরা’ হিসেবে দাবি করা বিজ্ঞাপন বা ফেসবুক পেজের ওপর আস্থা না রেখে সরাসরি চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিন। আপনি যদি চান, Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন তাঁর ক্লিনিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার বিকল্পগুলো কী কী?

স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার ধরন, তীব্রতা এবং শিশুর বয়সের ওপর। কোনো একক চিকিৎসা সবার জন্য কাজ করে না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছুই শুরু করা উচিত নয়। প্রয়োজনে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন

নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসা:

  • চশমা (Spectacles): যদি প্রতিসরণ ত্রুটি (যেমন দূরদৃষ্টি বা অ্যাস্টিগমেটিজম) কারণ হয়, তবে চশমা ব্যবহারে চোখ সোজা হয়ে যেতে পারে। প্রিজম লেন্সও মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়।
  • চোখের ব্যায়াম (Vision therapy/Orthoptics): কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম চোখের পেশি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। এটি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করতে হয়।
  • প্যাচিং (Patching): অ্যাম্বলিওপিয়া হলে ভালো চোখটি বন্ধ রেখে বাঁকা চোখের দৃষ্টি শক্তিশালী করার জন্য থেরাপিউটিক প্যাচ ব্যবহার করা হয়।

সার্জিক্যাল চিকিৎসা: যদি নন-সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে কাজ না হয় বা পেশির গঠনগত সমস্যা থাকে, তবে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। এই সার্জারিতে চোখের পেশির অবস্থান বা টান পরিবর্তন করে চোখ সোজা করা হয়। এটি একটি সুনির্দিষ্ট ও জটিল প্রক্রিয়া, যা অভিজ্ঞ সার্জন দ্বারা করানো উচিত।

চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় কী কী পরীক্ষা হতে পারে?

শিশুকে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে গেলে নিচের কিছু পরীক্ষা হতে পারে। এগুলো সাধারণত ব্যথাহীন এবং শিশুর জন্য সহজ করে দেওয়া হয়: প্রয়োজনে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা

  • ভিজুয়াল অ্যাকুইটি টেস্ট: দৃষ্টি তীক্ষ্ণতা মাপার জন্য অক্ষর বা ছবির চার্ট ব্যবহার করা হয়। ছোট শিশুদের জন্য বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা Teller Acuity Cards ব্যবহার হয়।
  • কভার টেস্ট (Cover Test): একটি চোখ ঢেকে দিয়ে দেখেন কত দ্রুত ও কতটা বাঁকা চোখ সরে যায় বা আগের অবস্থানে ফেরে।
  • রেটিনোস্কপি (Retinoscopy): চোখের প্রতিসরণ ত্রুটি (দৃষ্টি কতটা ঘোলাটে) নির্ণয়ের জন্য বিশেষ আলো ব্যবহার করা হয়। শিশুকে কোনো অক্ষর বা ছবি চিনতে হয় না।
  • বাইনোকুলার ফাংশন টেস্ট: দুটি চোখ একসঙ্গে কত ভালো কাজ করে তা মূল্যায়ন করা হয়।
  • ডাইলেশন: প্রয়োজনে চোখের মণি (পিউপিল) ফোটানোর জন্য ড্রপ দিয়ে চোখের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষার আগে চিকিৎসককে শিশুর চিকিৎসা ইতিহাস, জন্ম ও বয়স সম্পর্কিত তথ্য দিন। শিশুর যাতে ভয় না পায়, সেজন্য একটি প্রিয় খেলনা বা গল্প-বই সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।

খুলনায় স্ট্রাবিসমাস চিকিৎসার আনুমানিক খরচ

স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার খরচ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে: চিকিৎসকের ফি, হাসপাতালের ধরণ (সরকারি বনাম বেসরকারি), পরীক্ষার ধরণ, চশমা বা প্যাচের প্রয়োজন, এবং অস্ত্রোপচারের জটিলতা। নিচে সাধারণ একটি হিসাব দেওয়া হলো। মনে রাখবেন, এগুলো আনুমানিক এবং প্রতিষ্ঠান ভেদে ভিন্ন হতে পারে।

খরচের খাত আনুমানিক পরিসর (বাংলাদেশি টাকায়) মন্তব্য
প্রাথমিক পরামর্শ ফি ৫০০ – ২,০০০ টাকা সরকারি হাসপাতালে কম (১০০-৫০০ টাকা), বেসরকারি ক্লিনিকে বেশি।
ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা (ভিজুয়াল অ্যাকুইটি, কভার টেস্ট, রেটিনোস্কপি) ১,০০০ – ৫,০০০ টাকা সম্পূর্ণ চোখ পরীক্ষা (যেমন OCT, visual field) হলে খরচ বাড়ে।
চশমা (লেন্স + ফ্রেম) ১,৫০০ – ৫,০০০ টাকা বিশেষ প্রিজম লেন্স বা হাই-ইন্ডেক্স লেন্স হলে খরচ বাড়ে।
প্যাচিং (থেরাপিউটিক প্যাচ) প্রতি প্যাচ ৫০ – ২০০ টাকা এক মাসের প্রয়োজন হতে পারে।
অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ২৫,০০০ – ৫০,০০০+ টাকা এতে সার্জন ফি, হাসপাতাল ভাড়া, অ্যানেসথেসিয়া, ওষুধ সব অন্তর্ভুক্ত। উভয় চোখের সার্জারি করলে খরচ দ্বিগুণ।
দ্রষ্টব্য: খরচ প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল। চিকিৎসার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমান খরচ জেনে নিন।

কখন জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ট্রাবিসমাস ধীরে ধীরে দেখা যায়, কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত সতর্কতা প্রয়োজন। নিচের লক্ষণগুলো থাকলে দেরি না করে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন:

  • হঠাৎ করে এক বা দুই চোখ বাঁকা হয়ে গেছে (যা আগে ছিল না)।
  • শিশুর মাথাব্যথা, বমি বা জ্বর আছে।
  • মাথায় আঘাতের ইতিহাস আছে।
  • চোখে ডাবল দেখার অভিযোগ করছে (পড়ার সময় বা হাঁটার সময় বস্তু দ্বিগুণ দেখা)।

এই ধরনের উপসর্গ কোনো জটিল স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে (যেমন ব্রেন টিউমার বা স্নায়ু সংক্রান্ত রোগ)। ঘরোয়া প্রতিকার বা চোখের ব্যায়াম করে সময় নষ্ট না করে দ্রুত পেশাদার সাহায্য নিন।

যেকোনো প্রশ্ন বা চিন্তার বিষয়ে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাঁর চেম্বারের সময় ও ঠিকানা জানতে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা দেখুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

স্ট্রাবিসমাস কি শুধু অস্ত্রোপচার দিয়েই ঠিক করা যায়?

না, সবসময় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। স্ট্রাবিসমাসের ধরন ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসার বিকল্প ভিন্ন হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে চশমা, চোখের ব্যায়াম (অর্থোপটিক্স), প্যাচিং বা প্রিজম লেন্স দিয়েও উন্নতি সম্ভব। অস্ত্রোপচার সাধারণত তখন বিবেচনা করা হয় যখন অন্যান্য পদ্ধতি পর্যাপ্ত ফল না দেয়। একজন শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞই সঠিক মূল্যায়নের পর সবচেয়ে উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।

শিশুর বয়স কত হলে স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসা শুরু করা ভালো?

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা শুরু করাই উত্তম। শৈশবকালেই যদি বাঁকা চোখ ধরা পড়ে, তবে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেরি করলে অ্যাম্বলিওপিয়া (অলস চোখ) হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা স্থায়ী দৃষ্টি সমস্যার কারণ হতে পারে। শিশুর বয়স ও নির্দিষ্ট অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক উপযুক্ত সময় ও পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।

বাঁকা চোখ কি নিজে থেকে সেরে যেতে পারে?

খুব ছোট শিশুদের মধ্যে মাঝে মাঝে চোখ ঘুরে যাওয়া (ইন্টারমিটেন্ট ডিভিয়েশন) কিছু ক্ষেত্রে নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যেতে পারে। তবে যদি বাঁকা ভাবটি স্থায়ী বা ঘন ঘন হয়, তবে নিজে থেকে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ‘দেখা যাক’ করে বসে থাকা ঠিক নয়, কারণ এতে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

খুলনায় শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার আগে কী কী প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?

আগের কোনো চোখের রিপোর্ট, ওষুধের তালিকা এবং শিশুর চোখ কখন ও কতবার বাঁকা হয় তার একটি নোট নিয়ে যান। শিশুকে বোঝান যে ডাক্তার একটি আলো দিয়ে দেখবেন এবং কিছু ছবি দেখাতে পারেন—এতে ভয় না পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আগে থেকে কোনো চোখের ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

একজন সাধারণ চক্ষু ডাক্তার আর শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞের মধ্যে পার্থক্য কী?

শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞরা (পেডিয়াট্রিক অফথালমোলজিস্ট) শিশুদের চোখের রোগ, বিশেষ করে স্ট্রাবিসমাস, অ্যাম্বলিওপিয়া ও চোখের বিকাশজনিত সমস্যা নিয়ে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তারা শিশুদের পরীক্ষা ও চিকিৎসায় দক্ষ, এবং শিশু-বান্ধব কৌশল ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন। জটিল বা বিশেষায়িত সমস্যার ক্ষেত্রে সাধারণ চক্ষু ডাক্তারের চেয়ে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বেশি কার্যকর।

More Health Tips & Guides From Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen

Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.

Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন

আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

চোখ ট্যারা হওয়া বা স্কুইন্ট আই সার্জারি

চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসা

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…

Read More
WhatsApp Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen