ড্রাই আই বা চোখ শুকিয়ে যাওয়ার চিকিৎসা

Updated on: Thursday, August 13, 2026

চোখ শুকিয়ে যাওয়া বা ড্রাই আই এমন একটি অবস্থা যেখানে চোখের অশ্রু পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না বা অশ্রুর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। ফলে চোখে অস্বস্তি, জ্বালা, চুলকানি ও ঝাপসা দৃষ্টি দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশে এসি, ধুলাবালি, দূষণ এবং দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে এই সমস্যা দিনদিন বাড়ছে। অনেকের ধারণা এটি তেমন গুরুতর নয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা না করালে চোখের কর্নিয়ার ক্ষতি হতে পারে। তাই সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ড্রাই আই কেন হয়? প্রধান কারণগুলো

ড্রাই আই মূলত দুই ধরনের হতে পারে: অশ্রু উৎপাদন কমে যাওয়া (অ্যাকুয়াস ডেফিসিয়েন্সি) বা অশ্রুর বাষ্পীভবন দ্রুত হওয়া (ইভাপোরেটিভ ড্রাই আই)। সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বয়সজনিত পরিবর্তন: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অশ্রুগ্রন্থির কার্যক্ষমতা কমে যায়।
  • হরমোনের ওঠানামা: মেনোপজ, গর্ভাবস্থা বা হরমোন থেরাপির কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারে।
  • পরিবেশগত কারণ: এসি, ফ্যান, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস এবং শুষ্ক আবহাওয়া অশ্রুর বাষ্পীভবন বাড়িয়ে দেয়।
  • স্ক্রিন টাইম: দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক কম পড়ে, ফলে অশ্রু ছড়িয়ে পড়ে না।
  • কিছু ওষুধ: অ্যান্টিহিস্টামিন, ডিকনজেস্ট্যান্ট, অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও কিছু রক্তচাপের ওষুধ ড্রাই আই সৃষ্টি করতে পারে।

আপনার চোখের নির্দিষ্ট কারণ জানতে ডাঃ মোঃ সালাহউদ্দিন রহমতুল্লাহ-এর পরামর্শ নিতে পারেন।

ড্রাই আইয়ের লক্ষণ: কখন সতর্ক হবেন?

ড্রাই আইয়ের লক্ষণগুলো একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। নিচের টেবিলে সাধারণ লক্ষণ ও করণীয় উল্লেখ করা হলো:

লক্ষণ বর্ণনা করণীয়
জ্বালা বা চুলকানি চোখে যেন বালি বা ধুলা লেগে আছে এমন অনুভূতি কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহার করুন; জ্বালা কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
চোখ লাল হওয়া কনজাংটিভা বা চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া ঘরোয়া প্রতিকার করেও না কমলে বিশেষজ্ঞ দেখান
ঝাপসা দৃষ্টি বিশেষ করে পড়ার সময় বা স্ক্রিন দেখার পর দৃষ্টি ঝাপসা হয় ব্লিঙ্কিং ব্যায়াম করুন; দীর্ঘস্থায়ী হলে ডাক্তার দেখান
চোখে পানি পড়া প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পানি পড়ে, যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করে অশ্রুর গুণগত মান পরীক্ষা করান
আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা উজ্জ্বল আলো সহ্য না হওয়া সানগ্লাস ব্যবহার করুন; দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন

লক্ষণগুলো দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা দৃষ্টি ঝাপসা হলে দেরি না করে একজন experienced specialist-এর সঙ্গে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন।

ঘরোয়া প্রতিকার: প্রথম ধাপ

মৃদু থেকে মাঝারি ড্রাই আইয়ের ক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি উপকার দিতে পারে: প্রয়োজনে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন

  • গরম সেঁক: পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে চোখের পাতার ওপর ৫-১০ মিনিট রাখুন। এটি তেলগ্রন্থি খোলা রাখতে সাহায্য করে।
  • চোখের পাতা পরিষ্কার: বেবি শ্যাম্পু বা চোখের বিশেষ ক্লিনজার দিয়ে চোখের পাতার গোড়া পরিষ্কার রাখুন।
  • ব্লিঙ্কিং ব্যায়াম: ইচ্ছাকৃতভাবে বারবার পলক ফেলুন — বিশেষ করে স্ক্রিনে কাজ করার সময় প্রতি ২০ মিনিটে বিরতি নিয়ে ৪-৫ বার পলক ফেলুন।
  • হিউমিডিফায়ার ব্যবহার: রুমের আর্দ্রতা বাড়াতে হিউমিডিফায়ার রাখুন, বিশেষ করে এসি চালু থাকলে।
  • পর্যাপ্ত পানি পান: শরীর হাইড্রেটেড থাকলে চোখও ভালো থাকে।

এই প্রতিকারগুলো সবার জন্য একই রকম কাজ নাও করতে পারে। যদি ১-২ সপ্তাহেও উন্নতি না হয়, তাহলে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা জেনে সরাসরি পরামর্শ নিন।

ওভার-দ্য-কাউন্টার চিকিৎসা: কৃত্রিম অশ্রু ও জেল

বাংলাদেশের ফার্মেসিতে প্রিজারভেটিভ-মুক্ত কৃত্রিম অশ্রু (যেমন রিফ্রেশ টিয়ার, সিস্টেন) এবং জেল সহজলভ্য। এগুলো চোখের আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে, তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

  • প্রিজারভেটিভযুক্ত ড্রপ দিনে ৪ বারের বেশি ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে চোখ জ্বালা করতে পারে।
  • প্রিজারভেটিভ-মুক্ত ড্রপ বেশি নিরাপদ, তবে এগুলোর শেলফ লাইফ কম — খোলার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন।
  • জেল বেশি ঘন, রাতে ব্যবহার করলে সারারাত আর্দ্রতা ধরে রাখে, কিন্তু দৃষ্টি সাময়িকভাবে ঝাপসা করতে পারে।
ঘরোয়া প্রতিকার বনাম চিকিৎসকের চিকিৎসা: কখন কী করবেন
পদ্ধতি উপযোগিতা সীমাবদ্ধতা
ঘরোয়া প্রতিকার খরচ নেই, সহজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই গুরুতর ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে
ওভার-দ্য-কাউন্টার ড্রপ তাৎক্ষণিক আরাম দেয় দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়, ভুল ব্যবহারে নির্ভরশীলতা
চিকিৎসকের পরামর্শ নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয়, শক্তিশালী চিকিৎসা সময় ও খরচ প্রয়োজন

চিকিৎসকের পরামর্শ কখন নেবেন?

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি:

  • ঘরোয়া প্রতিকার ও কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহারের পরেও লক্ষণ এক মাসের বেশি স্থায়ী হলে
  • দৃষ্টি ঝাপসা বা ডাবল ভিশন দেখা দিলে
  • চোখে তীব্র ব্যথা বা লালভাব থাকলে
  • চোখ থেকে পুঁজ বা অস্বাভাবিক নিঃসরণ হলে
  • কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারী হলে বা চোখের আগের কোনো অপারেশন থাকলে

চক্ষু বিশেষজ্ঞ আপনার চোখ পরীক্ষা করে শিমার টেস্ট, টিয়ার ব্রেক-আপ টাইম ও কর্নিয়ার স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করতে পারেন। প্রয়োজন হলে প্রেসক্রিপশন ওষুধ বা বিশেষায়িত চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন। প্রয়োজনে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা

প্রেসক্রিপশন ও বিশেষায়িত চিকিৎসা

যখন সাধারণ চিকিৎসায় কাজ না হয়, তখন চিকিৎসক নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলোর যেকোনো একটি সুপারিশ করতে পারেন:

  • সাইক্লোস্পোরিন (রেস্টাসিস/সাইক্লোস্টার্ম): এটি একটি ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ড্রপ যা অশ্রুগ্রন্থির প্রদাহ কমিয়ে অশ্রু উৎপাদন বাড়ায়।
  • লিফাইটেগ্রাস্ট (জিড্রা/এক্সিটিয়া): এটি MUC1 এগোনিস্ট যা অশ্রুর মিউসিন স্তর উন্নত করে।
  • পাংকটাল প্লাগ: চোখের নালিতে ছোট প্লাগ বসিয়ে অশ্রুর নিষ্কাশন কমিয়ে চোখ ভেজা রাখে। এটি বিপরীতমুখী বা স্থায়ী হতে পারে।
  • লিপিফ্লো থেরাপি: তেলগ্রন্থির ব্লকেজ দূর করতে তাপ ও কম্পন ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, এসব ওষুধ ও পদ্ধতি শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত। নিজে থেকে স্টেরয়েড বা প্রেসক্রিপশন ড্রপ ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন: দীর্ঘমেয়াদি সমাধান

দীর্ঘমেয়াদে ড্রাই আই নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করা প্রয়োজন:

  • স্ক্রিন টাইম কমানো: ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করুন — প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তু ২০ সেকেন্ড দেখুন।
  • পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান চোখের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার: মাছ (স্যামন, টুনা), ফ্ল্যাক্সসিড, আখরোট অশ্রুর গুণগত মান উন্নত করতে পারে।
  • ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়ানো: এগুলো চোখের শুষ্কতা বাড়ায়।
  • এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: খুব ঠান্ডা না করে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।

এই সহজ পরিবর্তনগুলো চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে মনে রাখবেন, এটি সম্পূর্ণ নিরাময় নয় বরং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার অংশ।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ড্রাই আইয়ের জন্য কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহার করছি, কিন্তু কাজ হচ্ছে না। কী করব?

কৃত্রিম অশ্রু দীর্ঘদিন ব্যবহার করেও যদি চোখের শুষ্কতা, জ্বালা বা ঝাপসা দৃষ্টি না কমে, তাহলে বুঝতে হবে এটি সাধারণ ড্রাই আই নয়। হতে পারে আপনার চোখের অশ্রুধারা তৈরির গ্রন্থি (ল্যাক্রিমাল) বা মেইবোমিয়ান গ্রন্থিতে সমস্যা হয়েছে। সেক্ষেত্রে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া জরুরি। তিনি প্রেসক্রিপশন আই ড্রপ (যেমন সাইক্লোস্পোরিন বা লিফাইটেগ্রাস্ট), অটোলোগাস সিরাম আই ড্রপ, বা পাংচাল প্লাগের মতো পদ্ধতি দিতে পারেন। নিজে থেকে কৃত্রিম অশ্রু বাড়িয়ে না নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ড্রাই আই কি স্থায়ী সমস্যা, নাকি পুরোপুরি সেরে যায়?

ড্রাই আই পুরোপুরি ‘সেরে যায়’ এমন বলা ঠিক নয়, তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে লক্ষণগুলি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চোখের আরাম বজায় রাখা যায় এবং কর্নিয়ার ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে, অস্থায়ী কারণ (যেমন অ্যালার্জি বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া) দূর করলে ড্রাই আই সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। তবে সাধারণত এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন।

এসি বা কুলিংয়ের কারণে ড্রাই আই হয়—এটা কি সত্যি? কীভাবে বুঝব?

হ্যাঁ, এটি সত্যি। দীর্ঘক্ষণ এসি বা ফ্যানের সরাসরি বাতাস চোখের আর্দ্রতা শুষে নেয়। বিশেষ করে অফিসে বা বাসায় সারাদিন এসি চললে চোখ শুকিয়ে যায়। যদি আপনি দেখেন যে বাইরে বের হওয়ার পর বা এসি বন্ধ করলে চোখের আরাম বাড়ে, তাহলে এটি ড্রাই আইয়ের অন্যতম কারণ। এর সমাধান হলো এসির তাপমাত্রা বেশি না রাখা, রুমে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা, এবং কিছুক্ষণ পরপর চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া।

ড্রাই আইয়ের জন্য কেউ কেউ গরম পানির সেঁক দেওয়ার পরামর্শ দেয়—এটা কি সঠিক? কীভাবে করব?

হ্যাঁ, এটি একটি কার্যকর ও নিরাপদ ঘরোয়া পদ্ধতি, তবে শুধুমাত্র যদি আপনি মেইবোমিয়ান গ্রন্থির সমস্যায় ভোগেন (অর্থাৎ চোখের পাতার কিনারায় তেলগ্রন্থি বন্ধ থাকে)। গরম পানির সেঁক তেল নিঃসরণ সহজ করে। তবে সতর্ক থাকুন: পানির তাপমাত্রা খুব বেশি গরম নয়, হালকা উষ্ণ হতে হবে (প্রায় ৪০-৪৫° সেলসিয়াস)। একটি পরিষ্কার নরম কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে পানি নিংড়ে নিয়ে চোখের পাতায় ৫-১০ মিনিট রাখুন, দিনে ২-৩ বার। এরপর আঙুল দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করলে তেল বের হতে সাহায্য হয়। তবে চোখে ইনফেকশন বা গুরুতর শুষ্কতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।

ড্রাই আইয়ের জন্য আই ড্রপ (কৃত্রিম অশ্রু) কেনার সময় কী দেখে কিনব? প্রিজারভেটিভযুক্ত ও প্রিজারভেটিভমুক্তের মধ্যে পার্থক্য কী?

কৃত্রিম অশ্রু কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে উপাদান ও স্টোরেজ তথ্য দেখে নিন। প্রিজারভেটিভযুক্ত আই ড্রপ সাধারণত মাল্টি-ডোজ বোতলে আসে; দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে প্রিজারভেটিভ চোখের টিস্যুতে জ্বালা বা অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে—বিশেষ করে যাদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার প্রয়োজন। অন্যদিকে, প্রিজারভেটিভমুক্ত আই ড্রপ ছোট সিঙ্গেল-ডোজ অ্যাম্পুলে আসে এবং তা খোলার পর একবারই ব্যবহার করা ভালো; এগুলি চোখের জন্য বেশি নিরাপদ, বিশেষ করে যদি আপনি দিনে ৪-৬ বারের বেশি ড্রপ দেন। ড্রপ কেনার আগে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ সব ধরনের কৃত্রিম অশ্রু সবার জন্য সমান কার্যকর নয়।

More Health Tips & Guides From Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen

Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.

Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন

আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

চোখ ট্যারা হওয়া বা স্কুইন্ট আই সার্জারি

চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসা

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…

Read More
WhatsApp Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen