আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন
আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…
Read MoreWritten by
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheenপ্রেসবায়োপিয়া, যাকে আমরা চালসে নামেও চিনি, এটি একটি স্বাভাবিক বয়সজনিত চোখের সমস্যা। সাধারণত ৪০-৪৫ বছর বয়সের পরে চোখের ভেতরের লেন্স ধীরে ধীরে তার নমনীয়তা হারায়। ফলে কাছের জিনিস যেমন বই, মোবাইলের স্ক্রিন বা সুই-সুতার কাজ ঝাপসা দেখায়। অনেকেই ভাবেন এটি কোনো রোগ বা অসুখ, কিন্তু আসলে এটি শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ। এই নিবন্ধে আমরা প্রেসবায়োপিয়ার কারণ, লক্ষণ এবং বাংলাদেশে সহজলভ্য চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। আপনার যদি এই সমস্যা থাকে, তবে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যেমন Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে সঠিক দিকনির্দেশনার জন্য।
প্রেসবায়োপিয়া শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘বৃদ্ধ চোখ’। আমাদের চোখের ভেতরে একটি প্রাকৃতিক লেন্স থাকে, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে শক্ত হয়ে যায় এবং নমনীয়তা কমে যায়। অল্প বয়সে এই লেন্স সহজেই আকৃতি পরিবর্তন করে কাছের ও দূরের বস্তু ফোকাস করতে পারে। কিন্তু ৪০-৪৫ বছর বয়সের পর লেন্সের স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়ায় কাছের জিনিস ফোকাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন, কোনো রোগ নয়। প্রেসবায়োপিয়া প্রায় সবারই হয়, শুধু সময় ও মাত্রায় পার্থক্য থাকে। যারা আগে থেকেই দূরের দৃষ্টি সমস্যা (মায়োপিয়া) বা দূরদৃষ্টি (হাইপারোপিয়া) ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রেসবায়োপিয়ার প্রভাব আগে বা পরে দেখা দিতে পারে।
এই লক্ষণগুলো সাধারণত ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যদি হঠাৎ করে দৃষ্টি পরিবর্তন, চোখে ব্যথা বা আলোর ঝলকানি দেখা দেয়, তবে এটি প্রেসবায়োপিয়া নয়, অন্য কোনো চোখের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
প্রেসবায়োপিয়ার কোনো স্থায়ী নিরাময় নেই, তবে দৃষ্টি সংশোধনের জন্য বেশ কিছু কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে। চিকিৎসা নির্ভর করে আপনার বয়স, চোখের স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রা এবং পছন্দের উপর। নিচের টেবিলে প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর তুলনা দেওয়া হলো:
| চিকিৎসা পদ্ধতি | বিবরণ | সুবিধা | অসুবিধা | প্রায়োগিক খরচ (বাংলাদেশ) |
|---|---|---|---|---|
| চশমা (বাইফোকাল/প্রগ্রেসিভ) | দুই বা ততোধিক ফোকাসের লেন্স ব্যবহার | সহজ, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, কোনো সার্জারি নয় | চশমা বহন করতে হয়, কিছু লোকের অভ্যস্ত হতে সময় লাগে | ৳ ১,০০০ – ৳ ১০,০০০+ (ফ্রেম ও লেন্সের মান অনুযায়ী) |
| কন্টাক্ট লেন্স (মাল্টিফোকাল) | চোখের উপর বসানো লেন্স | চশমার ঝামেলা নেই, স্বাভাবিক দৃষ্টি | পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হয়, চোখ শুকিয়ে যেতে পারে | ৳ ২,০০০ – ৳ ৮,০০০ (প্রতি জোড়া, ব্র্যান্ড ও ধরন অনুযায়ী) |
| লেজার সার্জারি (মনোভিশন LASIK/PRK) | এক চোখ দূরের জন্য, অন্য চোখ কাছের জন্য সংশোধন | চশমা বা লেন্সের প্রয়োজন কমে যায় | সবার জন্য উপযুক্ত নয়, চোখ শুষ্কতা, রাতের বেলা ঝলকানি | ৳ ৫০,০০০ – ৳ ১,২০,০০০ (প্রতি চোখ) |
| লেন্স রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি (RLE) | প্রাকৃতিক লেন্স সরিয়ে কৃত্রিম প্রেসবায়োপিক IOL বসানো | ছানি পড়ার আগেই দৃষ্টি সংশোধন, দীর্ঘমেয়াদী সমাধান | সার্জারির ঝুঁকি, খরচ বেশি, সবাই প্রার্থী নয় | ৳ ৬০,০০০ – ৳ ১,৫০,০০০ (প্রতি চোখ, IOL ধরন অনুযায়ী) |
প্রেসবায়োপিয়ার সবচেয়ে সাধারণ ও নিরাপদ চিকিৎসা হলো চশমা। বাইফোকাল লেন্সে দুইটি অংশ থাকে: উপরের অংশ দূরের জন্য এবং নিচের অংশ কাছের জন্য। প্রগ্রেসিভ লেন্স আরও উন্নত, যেখানে দূর থেকে কাছে পর্যন্ত ধীরে ধীরে ফোকাস পরিবর্তন হয়, ফলে কোনো দৃশ্যমান রেখা থাকে না। বাংলাদেশের অধিকাংশ চক্ষু বিশেষজ্ঞই প্রথমে চশমা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। চশমা ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে কিছুদিন সময় লাগতে পারে, তবে এটি সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি। আপনার চোখের পাওয়ার ও প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক লেন্স নির্বাচনের জন্য চেম্বারের সময় ও ঠিকানা জেনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
যারা চশমা পরতে পছন্দ করেন না, তারা মাল্টিফোকাল কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারেন। এই লেন্সগুলো চোখের কর্নিয়ার উপর বসানো হয় এবং একসঙ্গে কাছের ও দূরের দৃষ্টি সংশোধন করে। তবে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের জন্য ভালো স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োজন। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে চোখে সংক্রমণ হতে পারে। এছাড়া যাদের চোখ শুষ্ক থাকে, তাদের জন্য কন্টাক্ট লেন্স অস্বস্তিকর হতে পারে। কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের আগে অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লেজার সার্জারির মাধ্যমে কর্নিয়ার আকৃতি পরিবর্তন করে প্রেসবায়োপিয়া সংশোধন করা যায়। মনোভিশন পদ্ধতিতে একটি চোখ দূরের জন্য এবং অন্যটি কাছের জন্য সংশোধন করা হয়। মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে এই পার্থক্যের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। তবে এই পদ্ধতি সবার জন্য উপযুক্ত নয়। যাদের চোখ শুষ্ক, কর্নিয়া পাতলা বা অন্যান্য চোখের রোগ আছে, তাদের জন্য লেজার সার্জারি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। লেজার সার্জারির পর রাতের বেলা গাড়ি চালাতে অসুবিধা বা আলোর ঝলকানি দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশে লেজার সার্জারির খরচ তুলনামূলক বেশি এবং এটি শুধুমাত্র প্রাইভেট হাসপাতালে পাওয়া যায়।
লেন্স রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি (Refractive Lens Exchange) মূলত ছানি অপারেশনের মতোই। এতে চোখের প্রাকৃতিক লেন্স সরিয়ে একটি কৃত্রিম ইন্ট্রাওকুলার লেন্স (IOL) বসানো হয়, যা প্রেসবায়োপিয়া সংশোধন করতে পারে। প্রেসবায়োপিক IOL যেমন মাল্টিফোকাল বা অ্যাকমোডেটিভ লেন্স ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতি বিশেষ করে তাদের জন্য উপযুক্ত যাদের বয়স ৫০-এর বেশি এবং ছানি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা যারা লেজার সার্জারির জন্য উপযুক্ত নন। RLE একটি বড় সার্জারি, তাই এর ঝুঁকি রয়েছে যেমন সংক্রমণ, রেটিনা বিচ্ছিন্নতা বা চোখের চাপ বেড়ে যাওয়া। সার্জারির আগে বিস্তারিত পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজনে চেম্বারের সময় ও ঠিকানা।
বাংলাদেশে প্রেসবায়োপিয়া চিকিৎসার খরচ পদ্ধতি, হাসপাতালের মান, চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং ব্যবহৃত উপকরণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। নিচের টেবিলে আনুমানিক খরচের একটি ধারণা দেওয়া হলো। মনে রাখবেন, এটি শুধুমাত্র একটি ধারণা; প্রকৃত খরচ ভিন্ন হতে পারে। চিকিৎসা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা ক্লিনিক থেকে বর্তমান মূল্য নিশ্চিত করে নিন।
| আইটেম | প্রায়োগিক ব্যয় (বাংলাদেশি টাকা) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| চশমা (বাইফোকাল/প্রগ্রেসিভ লেন্স) | ৳ ১,০০০ – ৳ ১০,০০০+ | ফ্রেম ও লেন্সের ব্র্যান্ড, কোয়ালিটি ও পাওয়ার অনুযায়ী খরচ কম-বেশি হয়। |
| কন্টাক্ট লেন্স (মাল্টিফোকাল) | ৳ ২,০০০ – ৳ ৮,০০০ (প্রতি জোড়া) | ডেইলি ডিসপোজেবল বা মাসিক লেন্সের ধরন অনুযায়ী খরচ ভিন্ন। |
| লেজার সার্জারি (মনোভিশন LASIK/PRK) | ৳ ৫০,০০০ – ৳ ১,২০,০০০ (প্রতি চোখ) | হাসপাতালের সুনাম, চিকিৎসকের ফি ও প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। |
| লেন্স রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি (RLE) | ৳ ৬০,০০০ – ৳ ১,৫০,০০০ (প্রতি চোখ) | IOL-এর ধরন (মাল্টিফোকাল, টোরিক ইত্যাদি) ও হাসপাতালের খরচের উপর নির্ভরশীল। |
সরকারি হাসপাতালে চশমা ও কন্টাক্ট লেন্সের খরচ কম হতে পারে, তবে সার্জারির জন্য প্রাইভেট হাসপাতালেই বেশি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। খরচের পাশাপাশি চিকিৎসার মান ও চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করা জরুরি।
প্রেসবায়োপিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে যদি:
শেষের দিকের লক্ষণগুলো প্রেসবায়োপিয়ার নয়, বরং ছানি, গ্লুকোমা বা রেটিনার সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। আপনি চাইলে Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah-এর সাথে যোগাযোগ করুন একটি পূর্ণাঙ্গ চোখ পরীক্ষার জন্য।
প্রেসবায়োপিয়া চোখের একটি স্বাভাবিক বয়সজনিত পরিবর্তন, তাই একে ‘নিরাময়’ শব্দে ভাবার সুযোগ কম। চশমা, কন্টাক্ট লেন্স বা লেজার সার্জারির মাধ্যমে কাছের দেখা ঠিক করা যায়, কিন্তু চোখের লেন্সের কঠিনতা প্রতিরোধ করা যায় না। অনেকের ক্ষেত্রে সফল সার্জারির পরেও সূক্ষ্ম কাজে রিডিং গ্লাস লাগতে পারে। বয়স বাড়তে থাকলে সমস্যার মাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। তাই চিকিৎসা মানে সহায়ক ব্যবস্থা, স্থায়ী নিরাময় নয়।
না, আলাদা। প্রেসবায়োপিয়ায় চোখের লেন্সের নমনীয়তা কমে যাওয়ার কারণে কাছের জিনিস ঝাপসা দেখায়, কিন্তু দূরের দেখা স্বাভাবিক থাকে। ছানি (ক্যাটারাক্ট) হলো লেন্সের ভেতরে মেঘাছন্ন (cloudy) ভাব তৈরি হওয়া, যাতে দূরও ঝাপসা লাগে বা ঝাপসা, ধোঁয়া লাগা অনুভূতি হয়। প্রেসবায়োপিয়া সাধারণত ৪০+ বয়সে শুরু হয়, ছানি সাধারণত আরও পরের বয়সে ধীরে ধীরে হয়। তবে বয়সজনিত উভয় সমস্যাই হতে পারে। কোনো চোখের সমস্যায় সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে পার্থক্য বুঝে চিকিৎসা করতে হয়।
শুরুর দিকে সাময়িকভাবে রেডিমেড রিডিং গ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ভালো নয়। কারণ এতে আপনার চোখের সঠিক পাওয়ার, এক চোখের কম/বেশি দেখা, অ্যাস্টিগমেটিজম—এগুলোর হিসাব থাকে না। ভুল পাওয়ারের চশমা চোখে চাপ, মাথাব্যথা বা আরও কষ্ট তৈরি করতে পারে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়া শুধু চশমা কিনলে ছানি, গ্লুকোমার মতো সমস্যা ধরা পড়বে না। তাই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে করানো সঠিক।
সাধারণত প্রেসবায়োপিয়ায় কাছের দেখাতেই সমস্যা হয়, দূরের ভিশন আক্রান্ত হয় না। তবে একটানা কাছে দেখে তারপর দূরের দিকে তাকালে একটু দেরিতে ফোকাস ঠিক হতে পারে, এটি স্বাভাবিক। প্রগ্রেসিভ লেন্স এমন ক্ষেত্রে সব দূরত্বে সাহায্য করে। যদি দূরের ভিশনও ঝাপসা থাকে, তবে সেটি প্রেসবায়োপিয়ার কারণে নয়; অদূরদৃষ্টি বা ছানির মতো অন্য সমস্যা থাকতে পারে, ডাক্তার দেখিয়ে বোঝা দরকার।
লেজার সার্জারিতে মনোভিশন পদ্ধতিতে একটি চোখ দূরের এবং আরেকটি কাছের ভিশনের জন্য ঠিক করা হয়, যা অনেকের কাছে রিডিং গ্লাসের প্রয়োজন কমিয়ে দেয়। তবে প্রেসবায়োপিয়া একটি প্রগতিশীল (progressive) প্রক্রিয়া, ফলে বয়স বাড়লে আবারও চশমার দরকার হতে পারে। সবার কেসে লেজার করা যায় না—কর্ণিয়া পুরুত্ব, চোখের শুষ্কতা, অন্যান্য রোগ ইত্যাদি বিবেচনা করতে হয়। তাই লেজারের আগে অবশ্যই ভালো চক্ষু বিশেষজ্ঞের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা জরুরি।
Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.
আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…
Read More
শিশুদের চোখের বিভিন্ন রোগ ও দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষার উপায় নিয়ে এই নিবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। জন্ম থেকে ৮-১০ বছর বয়স পর্যন্ত…
Read More
খুলনায় ফ্যাকো ও লেজার পদ্ধতিতে ছানি অপারেশন নিয়ে বিস্তারিত—পার্থক্য, খরচ, প্রস্তুতি ও সঠিক চিকিৎসক নির্বাচনের টিপস।
Read More
খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…
Read More
চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…
Read More
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…
Read More