আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন
আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…
Read MoreWritten by
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheenহঠাৎ করে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেলে ভয় পাবেন না—কিন্তু অবহেলাও করবেন না। এই সমস্যা অস্থায়ী ক্লান্তি থেকে হতে পারে, আবার ডায়াবেটিস বা গ্লুকোমার মতো রোগের ইঙ্গিতও দিতে পারে। আপনার দৃষ্টি কেমন, কখন শুরু হয়েছে এবং সহায়ক কারও পরামর্শ প্রয়োজন—এ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন।
ঝাপসা দৃষ্টি মানে হলো কোনো বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখতে না পারা—যেন ধোঁয়াটে বা অস্পষ্ট লাগে। এটি সম্পূর্ণ চোখের পক্ষে স্বাভাবিক হবে না। সাধারণত চোখের প্রতিসরণ ত্রুটি, লেন্সের স্বচ্ছতা কমে যাওয়া, চোখের স্নায়ুর সমস্যা বা রক্তনালীর জটিলতার কারণে হতে পারে। সঠিক কারণ বোঝার জন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পূর্ণ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রতিসরণ ত্রুটি (রিফ্র্যাক্টিভ এরর) সবচেয়ে সাধারণ। যেমন:
তবে আরও গুরুতর কিছু কারণ রয়েছে: বিস্তারিত জানতে Home দেখুন।
নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন:
নিচের পদ্ধতিগুলো অস্থায়ী আরাম দিতে পারে, কিন্তু চিকিৎসার বিকল্প নয়:
কী করবেন না: চশমার পাওয়ার নিজে থেকে পরিবর্তন করবেন না বা বাজার থেকে ড্রপ কিনবেন না। দৃষ্টি ঝাপসা বাড়লে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। বিস্তারিত জানতে About দেখুন।
চিকিৎসা নির্ভর করে সঠিক কারণ শনাক্ত করার ওপর। চোখের পূর্ণ পরীক্ষার পর চিকিৎসক নিচের পদ্ধতিগুলোর যেকোনো একটি পরামর্শ দিতে পারেন:
প্রতিটি পদ্ধতি রোগীর নির্দিষ্ট অবস্থা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। তাই সঠিক নির্ণয়ের জন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞের চেম্বারে পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
নিচের টেবিলটি দেখে আপনি সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন: বিস্তারিত জানতে Appointment দেখুন।
| অবস্থা | ঘরোয়া প্রতিকার করুন | চিকিৎসকের পরামর্শ নিন |
|---|---|---|
| চোখ শুষ্ক, স্ক্রিনের কারণে ঝাপসা | ২০-২০-২০ নিয়ম, কৃত্রিম অশ্রু | যদি ১ সপ্তাহে না কমে বা বাড়ে |
| হঠাৎ করে এক চোখে ঝাপসা, ব্যথা নেই | কিছুই করবেন না | অবিলম্বে চক্ষু বিশেষজ্ঞ |
| ডায়াবেটিস/উচ্চ রক্তচাপ আছে, ধীরে ধীরে ঝাপসা | রক্তচাপ ও শর্করা নিয়ন্ত্রণ | বছরে একবার চোখ পরীক্ষা |
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় বুঝতে পারা যায় না যে দৃষ্টি ঝাপসা ডায়াবেটিসের জটিলতার লক্ষণ। বছরে অন্তত একবার চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
হ্যাঁ, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং অস্থায়ীভাবে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। একে ‘ডিজিটাল আই স্ট্রেন’ বা ‘কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম’ বলা হয়। সাধারণত চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিলে বা ২০-২০-২০ নিয়ম (প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকানো) মেনে চললে এই ঝাপসা দ্রুত কমে যায়। তবে নিয়মিতভাবে একই সমস্যা হলে অন্য কারণ থাকতে পারে, তাই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সব ধরনের ঝাপসা দৃষ্টির জন্য চোখের ড্রপ কার্যকর নয়। শুষ্ক চোখের কারণে ঝাপসা হলে কৃত্রিম অশ্রু (আর্টিফিশিয়াল টিয়ার) কিছুটা উপশম দিতে পারে। তবে সংক্রমণ, চোখের চাপ (গ্লুকোমা), বা ছানির মতো জটিল সমস্যায় ড্রপ কাজ করবে না এবং বরং ক্ষতি হতে পারে। কোনো ওষুধ বা ড্রপ ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজে থেকে ওষুধ দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।
হ্যাঁ, এমনটি হতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামা করলে চোখের লেন্স ফুলে গিয়ে অস্থায়ী ঝাপসা দৃষ্টি হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিসে চোখের রেটিনার ক্ষতি (ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি) হলেও ঝাপসা দেখা দেয়, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও স্থায়ী হতে পারে। তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকা জরুরি।
ঝাপসা দৃষ্টির সাথে যদি মাথাব্যথা, চোখে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা আলোর চারপাশে রং দেখার মতো উপসর্গ থাকে, তাহলে এটি গ্লুকোমা বা মাইগ্রেনের মতো সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে চোখের ভেতরের চাপ বেড়ে গেলে (একিউট অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা) দ্রুত চিকিৎসা না নিলে দৃষ্টি স্থায়ীভাবে নষ্ট হতে পারে। তাই দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের লেন্সের নমনীয়তা কমে যাওয়ায় কাছের জিনিস ঝাপসা দেখা শুরু হয়—একে প্রেসবায়োপিয়া বা চশমা-ছাড়া পড়ার অসুবিধা বলে। এটি স্বাভাবিক বার্ধক্যজনিত পরিবর্তন। তবে হঠাৎ করে ঝাপসা দেখা, মাঝে মাঝে ঝাপসা হওয়া, বা দৃষ্টির কোনো অংশ অন্ধকার হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। এসব ক্ষেত্রে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো রোগ থাকতে পারে। বয়সের কারণে ঝাপসা ঠিক করতে চশমা, কন্টাক্ট লেন্স বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, তবে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো জরুরি।
Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.
আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…
Read More
শিশুদের চোখের বিভিন্ন রোগ ও দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষার উপায় নিয়ে এই নিবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। জন্ম থেকে ৮-১০ বছর বয়স পর্যন্ত…
Read More
খুলনায় ফ্যাকো ও লেজার পদ্ধতিতে ছানি অপারেশন নিয়ে বিস্তারিত—পার্থক্য, খরচ, প্রস্তুতি ও সঠিক চিকিৎসক নির্বাচনের টিপস।
Read More
খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…
Read More
চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…
Read More
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…
Read More