চোখ লাল হওয়া ও চুলকানোর চিকিৎসা

Updated on: Wednesday, August 12, 2026

বাংলাদেশে ধুলাবালি, মৌসুমি অ্যালার্জি ও ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) খুব সাধারণ কারণে চোখ লাল ও চুলকানি হয়। অনেকেই ফার্মেসি থেকে নিজে ওষুধ কিনে নেন, কিন্তু কারণ না বুঝে চিকিৎসা করলে জটিলতা বাড়তে পারে। এই নিবন্ধে চোখ লাল ও চুলকানোর সাধারণ কারণ, ঘরোয়া ব্যবস্থা, কখন ডাক্তার দেখাতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে কী কী চিকিৎসা দেওয়া হতে পারে তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো। চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. সালাউদ্দিন রহমতুল্লাহর চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট সম্পর্কে জানতে পারেন তার ওয়েবসাইটে।

চোখ লাল ও চুলকানোর সাধারণ কারণগুলো কী কী?

চোখ লাল হওয়া ও চুলকানির পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। প্রতিটি কারণের লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন, তাই সঠিক কারণ শনাক্ত করা জরুরি। নিচের টেবিলে সাধারণ কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

চোখ লাল ও চুলকানির সাধারণ কারণগুলোর তুলনা
কারণ প্রধান লক্ষণ চিকিৎসা সংক্রামক?
অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস প্রচণ্ড চুলকানি, চোখ লাল, পানি পড়া, চোখ ফোলা অ্যান্টিহিস্টামিন আই ড্রপ, ঠান্ডা কম্প্রেস, অ্যালার্জেন এড়ানো না
ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) চোখ লাল, পানি পড়া, হালকা চুলকানি, সংক্রমণের আগে সর্দি-কাশি থাকতে পারে সাপোর্টিভ কেয়ার (ঠান্ডা কম্প্রেস, কৃত্রিম অশ্রু), সাধারণত ৭-১০ দিনে সেরে যায় হ্যাঁ (অত্যন্ত সংক্রামক)
ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস চোখ লাল, ঘন পুঁজ বা স্রাব, চোখ আঠালো হয়ে যাওয়া, চুলকানি কম কিন্তু জ্বালাপোড়া বেশি অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ বা মলম (চিকিৎসকের পরামর্শে) হ্যাঁ
শুষ্ক চোখ (ড্রাই আই) চোখে জ্বালাপোড়া, শুষ্কতা, মাঝে মাঝে চুলকানি, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন দেখলে বাড়ে কৃত্রিম অশ্রু (আর্টিফিশিয়াল টিয়ার), লাইফস্টাইল পরিবর্তন না
কন্টাক্ট লেন্সজনিত সমস্যা চোখ লাল, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, লেন্স পরলে অস্বস্তি লেন্স ব্যবহার বন্ধ, চোখ বিশ্রাম, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ কখনো কখনো (সংক্রমণ হলে)
ধুলাবালি বা বিদেশি বস্তু হঠাৎ চোখ লাল, চুলকানি, পানি পড়া, চোখে কিছু পড়ার অনুভূতি ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধোয়া, বিদেশি বস্তু অপসারণ না

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মৌসুমি অ্যালার্জি (বিশেষ করে বসন্ত ও শরতে) এবং ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধুলাবালি ও দূষণও চোখের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকের চেম্বার ঠিকানা ও সময়সূচি জানতে ওয়েবসাইট দেখুন।

ঘরোয়া উপায়ে কী করবেন?

হালকা চোখ লাল ও চুলকানির ক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া ব্যবস্থা সাময়িক উপশম দিতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এগুলো স্থায়ী সমাধান নয় এবং গুরুতর লক্ষণে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিস্তারিত জানতে Home দেখুন।

  • ঠান্ডা কম্প্রেস: পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে চোখের ওপর ১০-১৫ মিনিট রাখুন। এটি চুলকানি ও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।
  • কৃত্রিম অশ্রু (আর্টিফিশিয়াল টিয়ার): ওভার-দ্য-কাউন্টার লুব্রিকেটিং আই ড্রপ (প্রিজারভেটিভ-মুক্ত) ব্যবহার করতে পারেন। এটি শুষ্ক চোখ ও অ্যালার্জির উপশমে কার্যকর। তবে ড্রপ ব্যবহারের আগে ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।
  • চোখ পরিষ্কার রাখা: ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। ধুলাবালি বা অ্যালার্জেন চোখ থেকে বেরিয়ে যাবে।
  • অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা: ধুলাবালি, পরাগ, পশুর লোম, সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন। বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
  • চোখ না ঘষা: চোখ ঘষলে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে এবং সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ: ঘরোয়া উপায়ে ২-৩ দিনের মধ্যে উন্নতি না হলে বা লক্ষণ আরও বাড়লে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?

নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত: বিস্তারিত জানতে About দেখুন।

  • চোখে তীব্র ব্যথা বা আলোতে অস্বস্তি
  • দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া
  • চোখ থেকে ঘন পুঁজ বা সবুজ/হলুদ স্রাব আসা
  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া বা চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • ২-৩ দিন ঘরোয়া ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও উন্নতি না হওয়া
  • বারবার চোখ লাল ও চুলকানি হওয়া (দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা)
  • কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে চোখ লাল ও চুলকানি দেখা দিলে

চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী চোখের সমস্যা বা ঘরোয়া ব্যবস্থায় কাজ না করলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে বা দৃষ্টিশক্তির স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং পৃষ্ঠায় সরাসরি সময় নিতে পারেন।

চিকিৎসকের পরামর্শে কী কী চিকিৎসা দেওয়া হতে পারে?

চোখ লাল ও চুলকানির সঠিক কারণ শনাক্ত করার পর চিকিৎসক নিচের যেকোনো একটি বা একাধিক চিকিৎসা দিতে পারেন: বিস্তারিত জানতে Appointment দেখুন।

  • অ্যান্টিহিস্টামিন আই ড্রপ: অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের জন্য এটি প্রথম পছন্দ। চুলকানি ও লালভাব দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। মাস্ট সেল স্টেবিলাইজার ড্রপও দেওয়া হতে পারে, যা অ্যালার্জি প্রতিরোধে কাজ করে।
  • অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ/মলম: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ নিশ্চিত হলে চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ (যেমন মক্সিফ্লক্সাসিন বা গ্যাটিফ্লক্সাসিন) দিতে পারেন। এটি সাধারণত ৫-৭ দিন ব্যবহার করতে হয়।
  • কৃত্রিম অশ্রু (আর্টিফিশিয়াল টিয়ার): শুষ্ক চোখের জন্য চিকিৎসক প্রিজারভেটিভ-মুক্ত কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন। দিনে ৪-৬ বার ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • স্টেরয়েড আই ড্রপ: গুরুতর অ্যালার্জি বা প্রদাহের ক্ষেত্রে চিকিৎসক অল্প সময়ের জন্য স্টেরয়েড ড্রপ দিতে পারেন। তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে। নিজে থেকে স্টেরয়েড ড্রপ ব্যবহার করলে সংক্রমণ বাড়তে পারে বা চোখের ক্ষতি হতে পারে।
  • অ্যালার্জি টেস্ট: বারবার অ্যালার্জি হলে চিকিৎসক অ্যালার্জি টেস্টের পরামর্শ দিতে পারেন, যাতে নির্দিষ্ট অ্যালার্জেন শনাক্ত করে তা এড়ানো যায়।

ভাইরাল কনজাংটিভাইটিসের জন্য সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; এটি নিজে থেকেই সেরে যায়। চিকিৎসক ঠান্ডা কম্প্রেস ও কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন এবং সংক্রমণ ছড়ানো রোধে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেন।

চোখ লাল হওয়া ও চুলকানি প্রতিরোধের উপায়

প্রতিরোধ সবসময় চিকিৎসার চেয়ে ভালো। নিচের অভ্যাসগুলো মেনে চললে চোখ লাল ও চুলকানির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব:

  • অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা: ধুলাবালি, পরাগ, পশুর লোম, সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন। বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
  • হাত ধোয়ার অভ্যাস: চোখ স্পর্শ করার আগে ও পরে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। এটি সংক্রমণ ছড়ানো রোধ করে।
  • ব্যক্তিগত জিনিস শেয়ার না করা: তোয়ালে, বালিশ, রুমাল, চশমা ইত্যাদি অন্যের সাথে শেয়ার করবেন না।
  • কন্টাক্ট লেন্সের সঠিক পরিচর্যা: লেন্স পরিষ্কার রাখুন, নির্ধারিত সময়ের বেশি ব্যবহার করবেন না, এবং লেন্স নিয়ে ঘুমাবেন না।
  • চোখ না ঘষা: চোখ ঘষলে জ্বালাপোড়া ও চুলকানি বাড়তে পারে এবং সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
  • স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ: দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিন দেখলে ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলুন (প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকা)।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

চোখ লাল ও চুলকানি হলে কি বাজার থেকে কেনা আই ড্রপ ব্যবহার করা নিরাপদ?

না, নিজে নিজে বাজার থেকে আই ড্রপ কিনে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। কারণ চোখ লাল ও চুলকানির কারণ ভিন্ন হতে পারে—অ্যালার্জি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা শুষ্ক চোখ। ভুল ড্রপ ব্যবহার করলে সংক্রমণ বাড়তে পারে বা স্টেরয়েডজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

অ্যালার্জি ও ভাইরাল কনজাংটিভাইটিসের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন?

অ্যালার্জিতে সাধারণত দু’চোখই আক্রান্ত হয়, প্রচণ্ড চুলকানি থাকে এবং পানি পড়ে। ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) সাধারণত এক চোখ থেকে শুরু হয়, চুলকানির চেয়ে জ্বালাপোড়া বেশি হয়, সঙ্গে সর্দি-কাশি থাকতে পারে। তবে নিশ্চিতভাবে বুঝতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারণ চিকিৎসা ভিন্ন হয়।

চোখ লাল হলে কি কন্টাক্ট লেন্স পরা যাবে?

না, চোখ লাল ও চুলকানি থাকলে কন্টাক্ট লেন্স একেবারেই ব্যবহার করবেন না। লেন্স সংক্রমণকে আটকে রাখতে পারে এবং কর্নিয়ায় ঘা সৃষ্টি করতে পারে। চোখ পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত চশমা ব্যবহার করুন এবং লেন্স ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের অনুমতি নিন।

বাচ্চাদের চোখ লাল ও চুলকানি হলে ঘরোয়া কী করবেন?

প্রথমে বাচ্চাকে চোখ ঘষতে না দেওয়া জরুরি। পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে হালকা চেপে চোখ মুছে দিন। আলাদা তোয়ালে ও বালিশ ব্যবহার করুন। তবে জ্বর, চোখে পুঁজ বা প্রচণ্ড ব্যথা থাকলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ বা চক্ষু ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ঘরোয়া চিকিৎসায় দেরি করবেন না।

চোখ লাল হওয়া ও চুলকানি কি ডেঙ্গু বা করোনাভাইরাসের লক্ষণ হতে পারে?

বিরল ক্ষেত্রে ডেঙ্গু বা করোনাভাইরাসের সঙ্গে চোখ লাল হতে পারে, তবে সাধারণত চোখ লাল ও চুলকানি বেশি দেখা যায় অ্যালার্জি বা কনজাংটিভাইটিসে। যদি জ্বর, শরীরব্যথা বা শ্বাসকষ্ট থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। শুধু চোখের উপসর্গ থাকলে আতঙ্কিত না হয়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

More Health Tips & Guides From Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen

Stay updated with ophthalmology tips, eye care guides, treatment updates, and insights on cataract, glaucoma, pediatric eye health, and squint care.

Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

আন্তর্জাতিক মানের অরবিস (ORBIS) প্রশিক্ষ প্রাপ্ত চক্ষু সার্জন

আন্তর্জাতিক মানের ORBIS প্রশিক্ষিত চক্ষু সার্জন বলতে বোঝানো হয় সেইসব চিকিৎসককে যারা বিশ্বখ্যাত ORBIS ইন্টারন্যাশনালের অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার

খুলনায় সেরা শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও স্ট্রাবিসমাস বা বাঁকা চোখের ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, স্ট্রাবিসমাসের চিকিৎসার…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

চোখ ট্যারা হওয়া বা স্কুইন্ট আই সার্জারি

চোখ ট্যারা হওয়া (স্ট্রাবিসমাস) শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়, এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে শিশুদের স্থায়ী…

Read More
Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen – Eye Specialist and Phaco Surgeon in Khulna, Bangladesh

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসা

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি একটি নীরব জটিলতা যা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে দৃষ্টি…

Read More
WhatsApp Dr. Md. Salahuddin Rahmatullah Shaheen